করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষিত লকডাউনে গণপরিবহন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার খুলে দেয়ার ঘোষণা আসায় স্বস্তি ফিরেছে শ্রমিকদের মাঝে।

শিকড় পরিবহনের বাস চালক নিজামুদ্দিন বলেন, যখন গাড়ি চালাই তখনই আম’রা খেতে পারি। আম’রা কারো কাছ থেকে কোনো প্রকার সাহায্য সহযোগিতাও পাইনি। কোম্পানিও কোনো ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করেনি। ধার-দেনা করে লকডাউনে চলেছি।

কোম্পানির বাস চালক মো. সবুজ বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সংসার চালানো ক’ষ্ট কর হয়ে পড়েছে। বাকি কয়দিন বসে থাকতে হবে। যদি সরকার আবার গণপরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেয় তখন চু’রি-ছিনতাই করা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।

টেম্পু চালক নূর ইস’লাম বলেন, ফের গণপরিবহন চলাচল বন্ধের নির্দেশনা এলে আত্মহ’ত্যা করা বা চু’রি করা ছাড়া আমা’র আর কোনো উপায় থাকবে না।

পরিস্থান পরিবহনের বাস চালক সিরাজ মোল্লা বলেন, রাস্তায় গাড়ি চললে পু’লিশকে চাঁদা দিতে হয়। কিন্তু লকডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকায় কোনো পু’লিশ সদস্য এই পরিবহন শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ায়নি। আর কয়েকটা দিন পরেই ঈদ। বউ বাচ্চাকে কি কিনে দিবো। মা-বাবাকেও কি বা দিবো। নিজের কথা না হয় বাদই দিলাম। সবাই ঈদ করতে পারবে কিন্তু পরিবহন শ্রমিকরা ঈদ করতে পারবেনা।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে আগামী ৬ মে থেকে জে’লার ভেতরে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। যেমন- ঢাকা জে’লার মধ্যে থাকতে হবে। লঞ্চ এবং ট্রেন বন্ধ থাকবে। যেহেতু ওগুলো এক জে’লা থেকে আরেক জে’লায় যায়। সুতরাং বন্ধ থাকবে |



Found this article interesting? Follow Techtribune24 on Facebook, Twitter and LinkedIn to read more exclusive content we post.